Tuesday, July 2, 2013
সংগৃহীত
এক
মহিলা তার পরিবারের জন্য প্রতিদিন রুটি বানাত এবং একটা অতিরিক্ত রুটি এক
কুঁজোর জন্য বানিয়ে জানালায় রেখেদিত। কুঁজো প্রতিদিন রুটিটা নিয়ে যেত। সে
কৃতজ্ঞতা জানানোর বদলে বিরবির করে ... বলত ' খারাপ কাজ নিজের কাছে রয়ে যায়
কিন্তু ভাল কাজ উপহার হয়ে ফিরে আসে।' মহিলা তার উপর বিরক্ত হত কারন সে কোনো
দিন কৃতজ্ঞতা জানাতনা। কিন্তু তার পর অ মহিলাটি কুঁজোর জন্য রুটি রাখত। আর
কুঁজো ও সবসময় বিড়বিড় করে একই কথা বলত। এভাবে চলতে চলতে মহিলাটি একসময়
কুঁজোর উপর বিরক্ত হয়ে উঠে। ঠিক করল পরের দিন রুটির সাথে বিষ মিশিয়ে দিবে।
ভাবনামত পরের দিন রুটির সাথে বিশ মিশিয়ে জানালায় রেখে দিল। কিন্তু তার মনে
বার বার অনুশোচনা হতে থাকল। তাই সে বিষ মিশানো রুটিটা ফেলে দিয়ে নতুন একটা
রুটি রাখল জানালায়। কুঁজো এসে রুটি নিয়ে চলে গেল। যাওয়ার সময় বিড়বিড় করে
বলল' খারাপ কাজ নিজের কাছে থেকে যায় কিন্তু ভাল কাজ উপহার হয়ে ফিরে আসে।'
অপর দিকে মহিলার ছেলে অন্য শহরে গিয়েছিল কাজের খুঁজে। ৪-৫ মাস ধরে তার কোনো
খুঁজ নাই। ছেলের জন্য মহিলাটি প্রতিদিন দুয়া করত।ওইদিন হঠাৎ মহিলা তার
দরজায় নক শুনতে পেল। দরজা খুলে দেখল তার
ছেলে দরজায় দাঁড়িয়ে আছে। তার ছেলের অবস্তা ছিল খুব করুন। সে ছিল খুব
ক্ষুধার্ত আর রুগ্ণ। তার পরনের কাপর ছিল ছেঁড়া। সে তার মাকে জড়িয়ে ধরে কেদে
উঠল এবং বলতেলাগল
" আমি হয়ত আজ ফিরতে পারতাম না। আমার শরীরে এক বিন্দু শক্তি ছিল না। এক কুঁজোকে অনুরোধ করায় সে আমাকে একটু রুটি দিয়ে বলল 'পতিদিন এই
একটা রুটি খেয়ে আমার দিন কাটে। কিন্তু আজকে তোমার আমার চেয়ে বেশি দরকার।
এইটা তুমি নাও।' সেই রুটি খেয়ে আজ আমি বাড়ি ফিরলাম।"মহিলাটি র বুঝতে বাকি
রইল না যে রুটিটা তার হাতের বানানো এবং ঐ কুঁজোটাই রুটিটা তার ছেলেকে
দিয়েছিল। তখন মহিলার মনে পড়ল বিষ মিশানো রুটির কথা। যদি সে সেটা ফেলে না
দিত তাহলে তার ছেলে আজ মারা যেত। সে সৃষ্টিকর্তার নিকট হাজারো বার কৃতজ্ঞতা
জানাল।
শিক্ষণীয়: খারাপ কাজ নিজের কাছে থেকে যায় কিন্তু ভাল কাজ উপহার হয়ে ফিরে আসে।
(সংগৃহীত)
আ.জা
আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত:
এক ব্যক্তি একটি মাঠে অবস্থান করছিল। এমন সময় সে মেঘের মধ্যে একটি শব্দ
শুনতে পেলঃ ‘অমুকের বাগানে পানি দাও’। অতঃপর মেঘমালা সেই দিকে সরে গেল এবং
এক প্রস্তরময় স্থানে বৃষ্টি বর্ষণ করল। তখন দেখা গেল, সেখানকার নালাগুলোর
মধ্যে একটি নালা সমস্ত পানি নিজের মধ্যে ঢুকিয়ে নিল। তখন সে ব্যক্তি পানির
দিকে এগিয়ে গেল এবং দেখল যে, এক ব্যক্তি তার বাগানে দাঁড়িয়ে সেচযন্ত্র
দ্বারা পানি সেচ দিচ্ছে। তখন সে তাকে জিজ্ঞেস করল, ‘হে আল্লাহর বান্দা!
তোমার নাম কি?’ ব্যক্তিটি জবাবে বলল, ‘আমার নাম অমুক’- যে নাম সে মেঘের
মধ্যে শুনেছিল।
তখন লোকটি বলল, ‘হে আল্লাহর বান্দা! তুমি কেন আমার নাম
জিজ্ঞেস করলে?’ সে বলল, ‘এই পানি যেই মেঘের তাঁর মধ্যে আমি একটি শব্দ
শুনেছি যে, তোমার নাম করে বলা হয়েছে, অমুকের বাগানে পানি দাও! (হে আল্লাহর
বান্দা, বল) তুমি তা দ্বারা কি কি কাজ কর?’
সে উত্তরে বলল, ‘যখন তুমি এ
কথা বললে তখন শুনো, এই বৃষ্টির পানিতে যা উৎপাদন হয়, তার প্রতি আমি
দৃষ্টিপাত করি এবং তা ভাগ করি। এক ভাগ দান করি, এক ভাগ আমি ও আমার পরিবার
খাই এবং অপর ভাগ জমিতে লাগাই।
-(মুসলিম, হাদীস নং-২৯৮৪)
আ.জা
রাসূলুল্লাহ (সাঃ)
বলেনঃ আমি জান্নাতে প্রবেশ করলাম,
অতঃপর সেখানে কুরআন তিলাওয়াত
শুনতে পেলাম।
জিজ্ঞেস করলাম, এই
ব্যক্তি (তিলাওয়াতকারী) কে?
ফেরেশতাগণ বললেন, হারিসা ইবন নুমান
(রাঃ)।
(রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম
সাহাবায়ে কেরামকে লক্ষ্য করে বললেনঃ)
পুণ্যের প্রতিদান এরূপই। সে ছিল তার মায়ের
সাথে সর্বাপেক্ষা সদাচরণকারী।
ইয়ামেনে উওয়াইস করনী নামে একজন মুসলমান
বাস করতেন। মায়ের খেদমতে মশগুল
তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে সাক্ষাৎ
করতে পারেননি। কিন্তু মায়ের খেদমতের
বদৌলতে আল্লাহর দরবারে তাঁর মর্যাদা ছিল
অনেক ঊর্ধ্বে। তিনি ছিলেন মুসতাজাবুদ
দাওয়াত। অর্থাৎ তাঁর দুআ কবুল করা হতো।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম উমার (রাঃ)-এর
উদ্দেশ্যে বলেন, সম্ভব হলে তাকে তোমার
জন্য ক্ষমা প্রার্থনার অবেদন করবে।
উমার (রাঃ)- এর যুগে ইয়ামেনের
একটি সাহায্যকারী দলের সাথে তিনি খলিফার
দরবারে আসেন। উমার (রাঃ) তাঁর নিকট দুআ
চাইলে তিনি তাঁর জন্য দুআ করেন। মায়ের
খেদমতের সুবাদেই তিনি এ মর্যাদা লাভ
করেন।
(এ বর্ণনা তিনটি হাদিসের সার-সংক্ষেপ।
দেখুন, সহিহ মুসলিম, কিতাবু ফাযায়িলিস
সাহাবা। হাদিস নং২২৩,২২৪,২২৫)
হযরত আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কে বলতে শুনেছি:
আল্লাহ্ তা'আলা বলেছেন: হে আদম সন্তান! যতক্ষণ পর্যন্ত তুমি আমাকে ডাকবে
এবং আমার কাছে (ক্ষমা) চাইবে, তুমি যা করেছ তা আমি ক্ষমা করে দেব, আর আমি
কোন কিছুর পরোয়া করি না। হে আদম সন্তান! তোমার গোনাহ্ যদি আকাশ সমান হয়ে
যায় আর তুমি আমার কাছে ক্ষমা চাও, তাহলে আমি তোমাকে ক্ষমা করে দেব। হে আদম
সন্তান! যদি তুমি পৃথিবী প্রমাণ গোনাহ্ নিয়ে আমার কাছে আস এবং আমার সঙ্গে
কোন কিছুকে শরীক না করে দেখা কর, তাহলে আমি সমপরিমাণ ক্ষমা নিয়ে তোমার
সঙ্গে দেখা করবো।
-(তিরমিযী , হাদিস নং-৩৫৪০)
আ.জা
Tuesday, June 11, 2013
হেফাজতের ১৩ দফা বাস্তবায়নে
প্রশাসনের বিশেষ অভিযান শুরু
:: এফ শাহজাহান ::
হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা দাবিকে সরকার অস্বীকার এবং এটাকে মধ্যযুগীয় দাবি
হিসেবে অখ্যায়িত করলেও এখন সেই সব দাবি বাস্তবায়নে বিশেষ অভিযান শুরু
করেছে। সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রীরা হেফাজতে ইসলামের এসব দাবিকে ঠাট্টা
মশকরা করে দেশকে ১৪শ বছর পিছিয়ে দেয়ার আশংকা ব্যক্ত করলেও বিষ্ময়করভাবে
মাত্র এক মাসের মাথায় হেফাজতের ঐসব দাবি বাস্তবায়নে প্রশাসনের বিশেষ
অভিযানে সর্বত্র তোলপাড় শুরু হয়েছে।
হেফাজতের ১৩ দফার মধ্যে
সবচেয়ে সমালোচিত ছিল নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশা,অশ্লীলতা বেহায়াপনা বন্ধ
করা। হেফাজতের এই দাবিকে সরকারের পক্ষ থেকে মারাত্মকভাবে আক্রমন করা হলেও
সর্বপ্রথম সরকার সেই দাবি বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছে। বগুড়া থেকে শুরু
হয়েছে হেফাজতের সেই দাবি বাস্তবায়নে প্রশাসনের বিশেষ অভিযান। বগুড়ার
প্রশাসন আজ মঙ্গলবার শহরের একটি পার্কে অীভযান চালিয়ে নরী পুরুষের
সহাবস্থান,অশ্লীলতা,বেহায়াপনার অভিযোগে দুই’শ জোড়া নারী পুরুষকে আটক করেছে। ভ্রাম্যমান আদালত তাদের দন্ডও দিয়েছে। বিশ্বাস করতে আপনার কষ্ট হলেও এটাই বাস্তবতা।
মঙ্গলবার বগুড়ায় শিশু বিনোদন কেন্দ্র ওয়ান্ডার ল্যান্ডে অশ্লীলতা এবং
অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে প্রায় দুই’শ প্রেমিক যুগলকে
আটক করেছে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমান আদালত আটককৃতদের অর্থদন্ড দিয়েছে। এদের
অধিকাংশই স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী হওয়ার কারনে আদালত বিশেষ বিবেচনায়
কারাদন্ড না দিয়ে শুধু জরিমানা আদায় এবং সতর্ক করেই ছেড়ে দিয়েছে।
দুপুরে বগুড়ার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুল হাসান রুমির নেতৃত্বে
ভ্রাম্যমান আদালত পুলিশের সহায়তায় শহরের খান্দার এলাকায় অবস্থিত
ওয়ান্ডার ল্যান্ডে অভিযান চালায়। সেখানে আপত্তিকর অবস্থায় প্রেমিক
যুগলদের অবস্থান দেখতে পেয়ে তাদের সবাইকে আটক করে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমান
আদালত এসব প্রেমিক যুগলের বিভিন্ন অংকের অর্থদন্ড আদায় করে এবং তাদের
সতর্ক করে ছেড়ে দেয়।
এবিষয়ে অভিযান পরিচালনাকারী নির্বাহী
ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুল হাসান রুমি জানান,এরকম একটি শিশু বিনোদন কেন্দ্রে
অবাধে নারী পুরুষের দৃষ্টিকটু অবস্থান,অশ্লীলতা এবং নানা অসামাজিক
কর্মকান্ড কোনমতেই মেনে নেয়া যায়না। এজন্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
নেয়া হয়েছে। তবে আটককৃতদের অধিকাংশই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের
শিক্ষার্থী হওয়ায় বিশেষ বিবেচনায় তাদের কারাদন্ড না দিয়ে শুধু অর্থদন্ড
করা হয়েছে।
ওয়ান্ডার ল্যান্ডের ব্যবস্থাপক জানান,এদের
বেশিরভাগই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী। এরা অভিভাবকদের চোখ
ফাঁকি দিয়ে এখানে এসে নিয়মিত অবস্থান করতো। কর্তৃপক্ষ তাদের বার বার
সতর্ক করলেও কোন ফল হয়নি।
এবিষয়ে আটককৃত প্রেমিক যুগলরা ক্ষোভ
প্রকাশ করে বলেছেন, বান্ধবীদের নিয়ে পার্কে ঘুরে বেড়ানো যদি অপরাধ হয়
তাহলে হেফাজতে ইসলামের দাবিইতো সঠিক ছিল। সরকার একদিকে হেফাজতের দাবিকে
অস্বীকার করবে আবার সেই দাবি বাস্তবায়নে অীভযান চালাবে তা হতে পারে না।
সরকার যদি হেফাজতের দাবিই বাস্তবায়ন করবে তাহলে আগে এসব পার্ক বন্ধ করে
দিচ্ছে না কেন?। আপনি কী মনে করছেন ?
হেফাজতের ১৩ দফা বাস্তবায়নে
প্রশাসনের বিশেষ অভিযান শুরু
:: এফ শাহজাহান ::
হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা দাবিকে সরকার অস্বীকার এবং এটাকে মধ্যযুগীয় দাবি হিসেবে অখ্যায়িত করলেও এখন সেই সব দাবি বাস্তবায়নে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে। সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রীরা হেফাজতে ইসলামের এসব দাবিকে ঠাট্টা মশকরা করে দেশকে ১৪শ বছর পিছিয়ে দেয়ার আশংকা ব্যক্ত করলেও বিষ্ময়করভাবে মাত্র এক মাসের মাথায় হেফাজতের ঐসব দাবি বাস্তবায়নে প্রশাসনের বিশেষ অভিযানে সর্বত্র তোলপাড় শুরু হয়েছে।
হেফাজতের ১৩ দফার মধ্যে সবচেয়ে সমালোচিত ছিল নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশা,অশ্লীলতা বেহায়াপনা বন্ধ করা। হেফাজতের এই দাবিকে সরকারের পক্ষ থেকে মারাত্মকভাবে আক্রমন করা হলেও সর্বপ্রথম সরকার সেই দাবি বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছে। বগুড়া থেকে শুরু হয়েছে হেফাজতের সেই দাবি বাস্তবায়নে প্রশাসনের বিশেষ অভিযান। বগুড়ার প্রশাসন আজ মঙ্গলবার শহরের একটি পার্কে অীভযান চালিয়ে নরী পুরুষের সহাবস্থান,অশ্লীলতা,বেহায়াপনার অভিযোগে দুই’শ জোড়া নারী পুরুষকে আটক করেছে। ভ্রাম্যমান আদালত তাদের দন্ডও দিয়েছে। বিশ্বাস করতে আপনার কষ্ট হলেও এটাই বাস্তবতা।
মঙ্গলবার বগুড়ায় শিশু বিনোদন কেন্দ্র ওয়ান্ডার ল্যান্ডে অশ্লীলতা এবং অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে প্রায় দুই’শ প্রেমিক যুগলকে আটক করেছে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমান আদালত আটককৃতদের অর্থদন্ড দিয়েছে। এদের অধিকাংশই স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী হওয়ার কারনে আদালত বিশেষ বিবেচনায় কারাদন্ড না দিয়ে শুধু জরিমানা আদায় এবং সতর্ক করেই ছেড়ে দিয়েছে।
দুপুরে বগুড়ার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুল হাসান রুমির নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত পুলিশের সহায়তায় শহরের খান্দার এলাকায় অবস্থিত ওয়ান্ডার ল্যান্ডে অভিযান চালায়। সেখানে আপত্তিকর অবস্থায় প্রেমিক যুগলদের অবস্থান দেখতে পেয়ে তাদের সবাইকে আটক করে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমান আদালত এসব প্রেমিক যুগলের বিভিন্ন অংকের অর্থদন্ড আদায় করে এবং তাদের সতর্ক করে ছেড়ে দেয়।
এবিষয়ে অভিযান পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুল হাসান রুমি জানান,এরকম একটি শিশু বিনোদন কেন্দ্রে অবাধে নারী পুরুষের দৃষ্টিকটু অবস্থান,অশ্লীলতা এবং নানা অসামাজিক কর্মকান্ড কোনমতেই মেনে নেয়া যায়না। এজন্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তবে আটককৃতদের অধিকাংশই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী হওয়ায় বিশেষ বিবেচনায় তাদের কারাদন্ড না দিয়ে শুধু অর্থদন্ড করা হয়েছে।
ওয়ান্ডার ল্যান্ডের ব্যবস্থাপক জানান,এদের বেশিরভাগই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী। এরা অভিভাবকদের চোখ ফাঁকি দিয়ে এখানে এসে নিয়মিত অবস্থান করতো। কর্তৃপক্ষ তাদের বার বার সতর্ক করলেও কোন ফল হয়নি।
এবিষয়ে আটককৃত প্রেমিক যুগলরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, বান্ধবীদের নিয়ে পার্কে ঘুরে বেড়ানো যদি অপরাধ হয় তাহলে হেফাজতে ইসলামের দাবিইতো সঠিক ছিল। সরকার একদিকে হেফাজতের দাবিকে অস্বীকার করবে আবার সেই দাবি বাস্তবায়নে অীভযান চালাবে তা হতে পারে না। সরকার যদি হেফাজতের দাবিই বাস্তবায়ন করবে তাহলে আগে এসব পার্ক বন্ধ করে দিচ্ছে না কেন?। আপনি কী মনে করছেন ?
প্রশাসনের বিশেষ অভিযান শুরু
:: এফ শাহজাহান ::
হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা দাবিকে সরকার অস্বীকার এবং এটাকে মধ্যযুগীয় দাবি হিসেবে অখ্যায়িত করলেও এখন সেই সব দাবি বাস্তবায়নে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে। সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রীরা হেফাজতে ইসলামের এসব দাবিকে ঠাট্টা মশকরা করে দেশকে ১৪শ বছর পিছিয়ে দেয়ার আশংকা ব্যক্ত করলেও বিষ্ময়করভাবে মাত্র এক মাসের মাথায় হেফাজতের ঐসব দাবি বাস্তবায়নে প্রশাসনের বিশেষ অভিযানে সর্বত্র তোলপাড় শুরু হয়েছে।
হেফাজতের ১৩ দফার মধ্যে সবচেয়ে সমালোচিত ছিল নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশা,অশ্লীলতা বেহায়াপনা বন্ধ করা। হেফাজতের এই দাবিকে সরকারের পক্ষ থেকে মারাত্মকভাবে আক্রমন করা হলেও সর্বপ্রথম সরকার সেই দাবি বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছে। বগুড়া থেকে শুরু হয়েছে হেফাজতের সেই দাবি বাস্তবায়নে প্রশাসনের বিশেষ অভিযান। বগুড়ার প্রশাসন আজ মঙ্গলবার শহরের একটি পার্কে অীভযান চালিয়ে নরী পুরুষের সহাবস্থান,অশ্লীলতা,বেহায়াপনার
মঙ্গলবার বগুড়ায় শিশু বিনোদন কেন্দ্র ওয়ান্ডার ল্যান্ডে অশ্লীলতা এবং অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে প্রায় দুই’শ প্রেমিক যুগলকে আটক করেছে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমান আদালত আটককৃতদের অর্থদন্ড দিয়েছে। এদের অধিকাংশই স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী হওয়ার কারনে আদালত বিশেষ বিবেচনায় কারাদন্ড না দিয়ে শুধু জরিমানা আদায় এবং সতর্ক করেই ছেড়ে দিয়েছে।
দুপুরে বগুড়ার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুল হাসান রুমির নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত পুলিশের সহায়তায় শহরের খান্দার এলাকায় অবস্থিত ওয়ান্ডার ল্যান্ডে অভিযান চালায়। সেখানে আপত্তিকর অবস্থায় প্রেমিক যুগলদের অবস্থান দেখতে পেয়ে তাদের সবাইকে আটক করে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমান আদালত এসব প্রেমিক যুগলের বিভিন্ন অংকের অর্থদন্ড আদায় করে এবং তাদের সতর্ক করে ছেড়ে দেয়।
এবিষয়ে অভিযান পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুল হাসান রুমি জানান,এরকম একটি শিশু বিনোদন কেন্দ্রে অবাধে নারী পুরুষের দৃষ্টিকটু অবস্থান,অশ্লীলতা এবং নানা অসামাজিক কর্মকান্ড কোনমতেই মেনে নেয়া যায়না। এজন্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তবে আটককৃতদের অধিকাংশই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী হওয়ায় বিশেষ বিবেচনায় তাদের কারাদন্ড না দিয়ে শুধু অর্থদন্ড করা হয়েছে।
ওয়ান্ডার ল্যান্ডের ব্যবস্থাপক জানান,এদের বেশিরভাগই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী। এরা অভিভাবকদের চোখ ফাঁকি দিয়ে এখানে এসে নিয়মিত অবস্থান করতো। কর্তৃপক্ষ তাদের বার বার সতর্ক করলেও কোন ফল হয়নি।
এবিষয়ে আটককৃত প্রেমিক যুগলরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, বান্ধবীদের নিয়ে পার্কে ঘুরে বেড়ানো যদি অপরাধ হয় তাহলে হেফাজতে ইসলামের দাবিইতো সঠিক ছিল। সরকার একদিকে হেফাজতের দাবিকে অস্বীকার করবে আবার সেই দাবি বাস্তবায়নে অীভযান চালাবে তা হতে পারে না। সরকার যদি হেফাজতের দাবিই বাস্তবায়ন করবে তাহলে আগে এসব পার্ক বন্ধ করে দিচ্ছে না কেন?। আপনি কী মনে করছেন ?
হেফাজতের ১৩ দফা বাস্তবায়নে
প্রশাসনের বিশেষ অভিযান শুরু
:: এফ শাহজাহান ::
হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা দাবিকে সরকার অস্বীকার এবং এটাকে মধ্যযুগীয় দাবি
হিসেবে অখ্যায়িত করলেও এখন সেই সব দাবি বাস্তবায়নে বিশেষ অভিযান শুরু
করেছে। সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রীরা হেফাজতে ইসলামের এসব দাবিকে ঠাট্টা
মশকরা করে দেশকে ১৪শ বছর পিছিয়ে দেয়ার আশংকা ব্যক্ত করলেও বিষ্ময়করভাবে
মাত্র এক মাসের মাথায় হেফাজতের ঐসব দাবি বাস্তবায়নে প্রশাসনের বিশেষ
অভিযানে সর্বত্র তোলপাড় শুরু হয়েছে।
হেফাজতের ১৩ দফার মধ্যে
সবচেয়ে সমালোচিত ছিল নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশা,অশ্লীলতা বেহায়াপনা বন্ধ
করা। হেফাজতের এই দাবিকে সরকারের পক্ষ থেকে মারাত্মকভাবে আক্রমন করা হলেও
সর্বপ্রথম সরকার সেই দাবি বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছে। বগুড়া থেকে শুরু
হয়েছে হেফাজতের সেই দাবি বাস্তবায়নে প্রশাসনের বিশেষ অভিযান। বগুড়ার
প্রশাসন আজ মঙ্গলবার শহরের একটি পার্কে অীভযান চালিয়ে নরী পুরুষের
সহাবস্থান,অশ্লীলতা,বেহায়াপনার অভিযোগে দুই’শ জোড়া নারী পুরুষকে আটক করেছে। ভ্রাম্যমান আদালত তাদের দন্ডও দিয়েছে। বিশ্বাস করতে আপনার কষ্ট হলেও এটাই বাস্তবতা।
মঙ্গলবার বগুড়ায় শিশু বিনোদন কেন্দ্র ওয়ান্ডার ল্যান্ডে অশ্লীলতা এবং
অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে প্রায় দুই’শ প্রেমিক যুগলকে
আটক করেছে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমান আদালত আটককৃতদের অর্থদন্ড দিয়েছে। এদের
অধিকাংশই স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী হওয়ার কারনে আদালত বিশেষ বিবেচনায়
কারাদন্ড না দিয়ে শুধু জরিমানা আদায় এবং সতর্ক করেই ছেড়ে দিয়েছে।
দুপুরে বগুড়ার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুল হাসান রুমির নেতৃত্বে
ভ্রাম্যমান আদালত পুলিশের সহায়তায় শহরের খান্দার এলাকায় অবস্থিত
ওয়ান্ডার ল্যান্ডে অভিযান চালায়। সেখানে আপত্তিকর অবস্থায় প্রেমিক
যুগলদের অবস্থান দেখতে পেয়ে তাদের সবাইকে আটক করে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমান
আদালত এসব প্রেমিক যুগলের বিভিন্ন অংকের অর্থদন্ড আদায় করে এবং তাদের
সতর্ক করে ছেড়ে দেয়।
এবিষয়ে অভিযান পরিচালনাকারী নির্বাহী
ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুল হাসান রুমি জানান,এরকম একটি শিশু বিনোদন কেন্দ্রে
অবাধে নারী পুরুষের দৃষ্টিকটু অবস্থান,অশ্লীলতা এবং নানা অসামাজিক
কর্মকান্ড কোনমতেই মেনে নেয়া যায়না। এজন্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
নেয়া হয়েছে। তবে আটককৃতদের অধিকাংশই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের
শিক্ষার্থী হওয়ায় বিশেষ বিবেচনায় তাদের কারাদন্ড না দিয়ে শুধু অর্থদন্ড
করা হয়েছে।
ওয়ান্ডার ল্যান্ডের ব্যবস্থাপক জানান,এদের
বেশিরভাগই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী। এরা অভিভাবকদের চোখ
ফাঁকি দিয়ে এখানে এসে নিয়মিত অবস্থান করতো। কর্তৃপক্ষ তাদের বার বার
সতর্ক করলেও কোন ফল হয়নি।
এবিষয়ে আটককৃত প্রেমিক যুগলরা ক্ষোভ
প্রকাশ করে বলেছেন, বান্ধবীদের নিয়ে পার্কে ঘুরে বেড়ানো যদি অপরাধ হয়
তাহলে হেফাজতে ইসলামের দাবিইতো সঠিক ছিল। সরকার একদিকে হেফাজতের দাবিকে
অস্বীকার করবে আবার সেই দাবি বাস্তবায়নে অীভযান চালাবে তা হতে পারে না।
সরকার যদি হেফাজতের দাবিই বাস্তবায়ন করবে তাহলে আগে এসব পার্ক বন্ধ করে
দিচ্ছে না কেন?। আপনি কী মনে করছেন ?
হেফাজতের ১৩ দফা বাস্তবায়নে
প্রশাসনের বিশেষ অভিযান শুরু
:: এফ শাহজাহান ::
হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা দাবিকে সরকার অস্বীকার এবং এটাকে মধ্যযুগীয় দাবি হিসেবে অখ্যায়িত করলেও এখন সেই সব দাবি বাস্তবায়নে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে। সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রীরা হেফাজতে ইসলামের এসব দাবিকে ঠাট্টা মশকরা করে দেশকে ১৪শ বছর পিছিয়ে দেয়ার আশংকা ব্যক্ত করলেও বিষ্ময়করভাবে মাত্র এক মাসের মাথায় হেফাজতের ঐসব দাবি বাস্তবায়নে প্রশাসনের বিশেষ অভিযানে সর্বত্র তোলপাড় শুরু হয়েছে।
হেফাজতের ১৩ দফার মধ্যে সবচেয়ে সমালোচিত ছিল নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশা,অশ্লীলতা বেহায়াপনা বন্ধ করা। হেফাজতের এই দাবিকে সরকারের পক্ষ থেকে মারাত্মকভাবে আক্রমন করা হলেও সর্বপ্রথম সরকার সেই দাবি বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছে। বগুড়া থেকে শুরু হয়েছে হেফাজতের সেই দাবি বাস্তবায়নে প্রশাসনের বিশেষ অভিযান। বগুড়ার প্রশাসন আজ মঙ্গলবার শহরের একটি পার্কে অীভযান চালিয়ে নরী পুরুষের সহাবস্থান,অশ্লীলতা,বেহায়াপনার অভিযোগে দুই’শ জোড়া নারী পুরুষকে আটক করেছে। ভ্রাম্যমান আদালত তাদের দন্ডও দিয়েছে। বিশ্বাস করতে আপনার কষ্ট হলেও এটাই বাস্তবতা।
মঙ্গলবার বগুড়ায় শিশু বিনোদন কেন্দ্র ওয়ান্ডার ল্যান্ডে অশ্লীলতা এবং অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে প্রায় দুই’শ প্রেমিক যুগলকে আটক করেছে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমান আদালত আটককৃতদের অর্থদন্ড দিয়েছে। এদের অধিকাংশই স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী হওয়ার কারনে আদালত বিশেষ বিবেচনায় কারাদন্ড না দিয়ে শুধু জরিমানা আদায় এবং সতর্ক করেই ছেড়ে দিয়েছে।
দুপুরে বগুড়ার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুল হাসান রুমির নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত পুলিশের সহায়তায় শহরের খান্দার এলাকায় অবস্থিত ওয়ান্ডার ল্যান্ডে অভিযান চালায়। সেখানে আপত্তিকর অবস্থায় প্রেমিক যুগলদের অবস্থান দেখতে পেয়ে তাদের সবাইকে আটক করে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমান আদালত এসব প্রেমিক যুগলের বিভিন্ন অংকের অর্থদন্ড আদায় করে এবং তাদের সতর্ক করে ছেড়ে দেয়।
এবিষয়ে অভিযান পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুল হাসান রুমি জানান,এরকম একটি শিশু বিনোদন কেন্দ্রে অবাধে নারী পুরুষের দৃষ্টিকটু অবস্থান,অশ্লীলতা এবং নানা অসামাজিক কর্মকান্ড কোনমতেই মেনে নেয়া যায়না। এজন্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তবে আটককৃতদের অধিকাংশই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী হওয়ায় বিশেষ বিবেচনায় তাদের কারাদন্ড না দিয়ে শুধু অর্থদন্ড করা হয়েছে।
ওয়ান্ডার ল্যান্ডের ব্যবস্থাপক জানান,এদের বেশিরভাগই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী। এরা অভিভাবকদের চোখ ফাঁকি দিয়ে এখানে এসে নিয়মিত অবস্থান করতো। কর্তৃপক্ষ তাদের বার বার সতর্ক করলেও কোন ফল হয়নি।
এবিষয়ে আটককৃত প্রেমিক যুগলরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, বান্ধবীদের নিয়ে পার্কে ঘুরে বেড়ানো যদি অপরাধ হয় তাহলে হেফাজতে ইসলামের দাবিইতো সঠিক ছিল। সরকার একদিকে হেফাজতের দাবিকে অস্বীকার করবে আবার সেই দাবি বাস্তবায়নে অীভযান চালাবে তা হতে পারে না। সরকার যদি হেফাজতের দাবিই বাস্তবায়ন করবে তাহলে আগে এসব পার্ক বন্ধ করে দিচ্ছে না কেন?। আপনি কী মনে করছেন ?
প্রশাসনের বিশেষ অভিযান শুরু
:: এফ শাহজাহান ::
হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা দাবিকে সরকার অস্বীকার এবং এটাকে মধ্যযুগীয় দাবি হিসেবে অখ্যায়িত করলেও এখন সেই সব দাবি বাস্তবায়নে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে। সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রীরা হেফাজতে ইসলামের এসব দাবিকে ঠাট্টা মশকরা করে দেশকে ১৪শ বছর পিছিয়ে দেয়ার আশংকা ব্যক্ত করলেও বিষ্ময়করভাবে মাত্র এক মাসের মাথায় হেফাজতের ঐসব দাবি বাস্তবায়নে প্রশাসনের বিশেষ অভিযানে সর্বত্র তোলপাড় শুরু হয়েছে।
হেফাজতের ১৩ দফার মধ্যে সবচেয়ে সমালোচিত ছিল নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশা,অশ্লীলতা বেহায়াপনা বন্ধ করা। হেফাজতের এই দাবিকে সরকারের পক্ষ থেকে মারাত্মকভাবে আক্রমন করা হলেও সর্বপ্রথম সরকার সেই দাবি বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছে। বগুড়া থেকে শুরু হয়েছে হেফাজতের সেই দাবি বাস্তবায়নে প্রশাসনের বিশেষ অভিযান। বগুড়ার প্রশাসন আজ মঙ্গলবার শহরের একটি পার্কে অীভযান চালিয়ে নরী পুরুষের সহাবস্থান,অশ্লীলতা,বেহায়াপনার
মঙ্গলবার বগুড়ায় শিশু বিনোদন কেন্দ্র ওয়ান্ডার ল্যান্ডে অশ্লীলতা এবং অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে প্রায় দুই’শ প্রেমিক যুগলকে আটক করেছে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমান আদালত আটককৃতদের অর্থদন্ড দিয়েছে। এদের অধিকাংশই স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী হওয়ার কারনে আদালত বিশেষ বিবেচনায় কারাদন্ড না দিয়ে শুধু জরিমানা আদায় এবং সতর্ক করেই ছেড়ে দিয়েছে।
দুপুরে বগুড়ার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুল হাসান রুমির নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত পুলিশের সহায়তায় শহরের খান্দার এলাকায় অবস্থিত ওয়ান্ডার ল্যান্ডে অভিযান চালায়। সেখানে আপত্তিকর অবস্থায় প্রেমিক যুগলদের অবস্থান দেখতে পেয়ে তাদের সবাইকে আটক করে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমান আদালত এসব প্রেমিক যুগলের বিভিন্ন অংকের অর্থদন্ড আদায় করে এবং তাদের সতর্ক করে ছেড়ে দেয়।
এবিষয়ে অভিযান পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুল হাসান রুমি জানান,এরকম একটি শিশু বিনোদন কেন্দ্রে অবাধে নারী পুরুষের দৃষ্টিকটু অবস্থান,অশ্লীলতা এবং নানা অসামাজিক কর্মকান্ড কোনমতেই মেনে নেয়া যায়না। এজন্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তবে আটককৃতদের অধিকাংশই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী হওয়ায় বিশেষ বিবেচনায় তাদের কারাদন্ড না দিয়ে শুধু অর্থদন্ড করা হয়েছে।
ওয়ান্ডার ল্যান্ডের ব্যবস্থাপক জানান,এদের বেশিরভাগই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী। এরা অভিভাবকদের চোখ ফাঁকি দিয়ে এখানে এসে নিয়মিত অবস্থান করতো। কর্তৃপক্ষ তাদের বার বার সতর্ক করলেও কোন ফল হয়নি।
এবিষয়ে আটককৃত প্রেমিক যুগলরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, বান্ধবীদের নিয়ে পার্কে ঘুরে বেড়ানো যদি অপরাধ হয় তাহলে হেফাজতে ইসলামের দাবিইতো সঠিক ছিল। সরকার একদিকে হেফাজতের দাবিকে অস্বীকার করবে আবার সেই দাবি বাস্তবায়নে অীভযান চালাবে তা হতে পারে না। সরকার যদি হেফাজতের দাবিই বাস্তবায়ন করবে তাহলে আগে এসব পার্ক বন্ধ করে দিচ্ছে না কেন?। আপনি কী মনে করছেন ?
হেফাজতের ১৩ দফা বাস্তবায়নে
প্রশাসনের বিশেষ অভিযান শুরু
:: এফ শাহজাহান ::
হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা দাবিকে সরকার অস্বীকার এবং এটাকে মধ্যযুগীয় দাবি
হিসেবে অখ্যায়িত করলেও এখন সেই সব দাবি বাস্তবায়নে বিশেষ অভিযান শুরু
করেছে। সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রীরা হেফাজতে ইসলামের এসব দাবিকে ঠাট্টা
মশকরা করে দেশকে ১৪শ বছর পিছিয়ে দেয়ার আশংকা ব্যক্ত করলেও বিষ্ময়করভাবে
মাত্র এক মাসের মাথায় হেফাজতের ঐসব দাবি বাস্তবায়নে প্রশাসনের বিশেষ
অভিযানে সর্বত্র তোলপাড় শুরু হয়েছে।
হেফাজতের ১৩ দফার মধ্যে
সবচেয়ে সমালোচিত ছিল নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশা,অশ্লীলতা বেহায়াপনা বন্ধ
করা। হেফাজতের এই দাবিকে সরকারের পক্ষ থেকে মারাত্মকভাবে আক্রমন করা হলেও
সর্বপ্রথম সরকার সেই দাবি বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছে। বগুড়া থেকে শুরু
হয়েছে হেফাজতের সেই দাবি বাস্তবায়নে প্রশাসনের বিশেষ অভিযান। বগুড়ার
প্রশাসন আজ মঙ্গলবার শহরের একটি পার্কে অীভযান চালিয়ে নরী পুরুষের
সহাবস্থান,অশ্লীলতা,বেহায়াপনার অভিযোগে দুই’শ জোড়া নারী পুরুষকে আটক করেছে। ভ্রাম্যমান আদালত তাদের দন্ডও দিয়েছে। বিশ্বাস করতে আপনার কষ্ট হলেও এটাই বাস্তবতা।
মঙ্গলবার বগুড়ায় শিশু বিনোদন কেন্দ্র ওয়ান্ডার ল্যান্ডে অশ্লীলতা এবং
অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে প্রায় দুই’শ প্রেমিক যুগলকে
আটক করেছে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমান আদালত আটককৃতদের অর্থদন্ড দিয়েছে। এদের
অধিকাংশই স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী হওয়ার কারনে আদালত বিশেষ বিবেচনায়
কারাদন্ড না দিয়ে শুধু জরিমানা আদায় এবং সতর্ক করেই ছেড়ে দিয়েছে।
দুপুরে বগুড়ার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুল হাসান রুমির নেতৃত্বে
ভ্রাম্যমান আদালত পুলিশের সহায়তায় শহরের খান্দার এলাকায় অবস্থিত
ওয়ান্ডার ল্যান্ডে অভিযান চালায়। সেখানে আপত্তিকর অবস্থায় প্রেমিক
যুগলদের অবস্থান দেখতে পেয়ে তাদের সবাইকে আটক করে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমান
আদালত এসব প্রেমিক যুগলের বিভিন্ন অংকের অর্থদন্ড আদায় করে এবং তাদের
সতর্ক করে ছেড়ে দেয়।
এবিষয়ে অভিযান পরিচালনাকারী নির্বাহী
ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুল হাসান রুমি জানান,এরকম একটি শিশু বিনোদন কেন্দ্রে
অবাধে নারী পুরুষের দৃষ্টিকটু অবস্থান,অশ্লীলতা এবং নানা অসামাজিক
কর্মকান্ড কোনমতেই মেনে নেয়া যায়না। এজন্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
নেয়া হয়েছে। তবে আটককৃতদের অধিকাংশই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের
শিক্ষার্থী হওয়ায় বিশেষ বিবেচনায় তাদের কারাদন্ড না দিয়ে শুধু অর্থদন্ড
করা হয়েছে।
ওয়ান্ডার ল্যান্ডের ব্যবস্থাপক জানান,এদের
বেশিরভাগই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী। এরা অভিভাবকদের চোখ
ফাঁকি দিয়ে এখানে এসে নিয়মিত অবস্থান করতো। কর্তৃপক্ষ তাদের বার বার
সতর্ক করলেও কোন ফল হয়নি।
এবিষয়ে আটককৃত প্রেমিক যুগলরা ক্ষোভ
প্রকাশ করে বলেছেন, বান্ধবীদের নিয়ে পার্কে ঘুরে বেড়ানো যদি অপরাধ হয়
তাহলে হেফাজতে ইসলামের দাবিইতো সঠিক ছিল। সরকার একদিকে হেফাজতের দাবিকে
অস্বীকার করবে আবার সেই দাবি বাস্তবায়নে অীভযান চালাবে তা হতে পারে না।
সরকার যদি হেফাজতের দাবিই বাস্তবায়ন করবে তাহলে আগে এসব পার্ক বন্ধ করে
দিচ্ছে না কেন?। আপনি কী মনে করছেন ?
হেফাজতের ১৩ দফা বাস্তবায়নে
প্রশাসনের বিশেষ অভিযান শুরু
:: এফ শাহজাহান ::
হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা দাবিকে সরকার অস্বীকার এবং এটাকে মধ্যযুগীয় দাবি হিসেবে অখ্যায়িত করলেও এখন সেই সব দাবি বাস্তবায়নে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে। সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রীরা হেফাজতে ইসলামের এসব দাবিকে ঠাট্টা মশকরা করে দেশকে ১৪শ বছর পিছিয়ে দেয়ার আশংকা ব্যক্ত করলেও বিষ্ময়করভাবে মাত্র এক মাসের মাথায় হেফাজতের ঐসব দাবি বাস্তবায়নে প্রশাসনের বিশেষ অভিযানে সর্বত্র তোলপাড় শুরু হয়েছে।
হেফাজতের ১৩ দফার মধ্যে সবচেয়ে সমালোচিত ছিল নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশা,অশ্লীলতা বেহায়াপনা বন্ধ করা। হেফাজতের এই দাবিকে সরকারের পক্ষ থেকে মারাত্মকভাবে আক্রমন করা হলেও সর্বপ্রথম সরকার সেই দাবি বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছে। বগুড়া থেকে শুরু হয়েছে হেফাজতের সেই দাবি বাস্তবায়নে প্রশাসনের বিশেষ অভিযান। বগুড়ার প্রশাসন আজ মঙ্গলবার শহরের একটি পার্কে অীভযান চালিয়ে নরী পুরুষের সহাবস্থান,অশ্লীলতা,বেহায়াপনার অভিযোগে দুই’শ জোড়া নারী পুরুষকে আটক করেছে। ভ্রাম্যমান আদালত তাদের দন্ডও দিয়েছে। বিশ্বাস করতে আপনার কষ্ট হলেও এটাই বাস্তবতা।
মঙ্গলবার বগুড়ায় শিশু বিনোদন কেন্দ্র ওয়ান্ডার ল্যান্ডে অশ্লীলতা এবং অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে প্রায় দুই’শ প্রেমিক যুগলকে আটক করেছে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমান আদালত আটককৃতদের অর্থদন্ড দিয়েছে। এদের অধিকাংশই স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী হওয়ার কারনে আদালত বিশেষ বিবেচনায় কারাদন্ড না দিয়ে শুধু জরিমানা আদায় এবং সতর্ক করেই ছেড়ে দিয়েছে।
দুপুরে বগুড়ার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুল হাসান রুমির নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত পুলিশের সহায়তায় শহরের খান্দার এলাকায় অবস্থিত ওয়ান্ডার ল্যান্ডে অভিযান চালায়। সেখানে আপত্তিকর অবস্থায় প্রেমিক যুগলদের অবস্থান দেখতে পেয়ে তাদের সবাইকে আটক করে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমান আদালত এসব প্রেমিক যুগলের বিভিন্ন অংকের অর্থদন্ড আদায় করে এবং তাদের সতর্ক করে ছেড়ে দেয়।
এবিষয়ে অভিযান পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুল হাসান রুমি জানান,এরকম একটি শিশু বিনোদন কেন্দ্রে অবাধে নারী পুরুষের দৃষ্টিকটু অবস্থান,অশ্লীলতা এবং নানা অসামাজিক কর্মকান্ড কোনমতেই মেনে নেয়া যায়না। এজন্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তবে আটককৃতদের অধিকাংশই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী হওয়ায় বিশেষ বিবেচনায় তাদের কারাদন্ড না দিয়ে শুধু অর্থদন্ড করা হয়েছে।
ওয়ান্ডার ল্যান্ডের ব্যবস্থাপক জানান,এদের বেশিরভাগই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী। এরা অভিভাবকদের চোখ ফাঁকি দিয়ে এখানে এসে নিয়মিত অবস্থান করতো। কর্তৃপক্ষ তাদের বার বার সতর্ক করলেও কোন ফল হয়নি।
এবিষয়ে আটককৃত প্রেমিক যুগলরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, বান্ধবীদের নিয়ে পার্কে ঘুরে বেড়ানো যদি অপরাধ হয় তাহলে হেফাজতে ইসলামের দাবিইতো সঠিক ছিল। সরকার একদিকে হেফাজতের দাবিকে অস্বীকার করবে আবার সেই দাবি বাস্তবায়নে অীভযান চালাবে তা হতে পারে না। সরকার যদি হেফাজতের দাবিই বাস্তবায়ন করবে তাহলে আগে এসব পার্ক বন্ধ করে দিচ্ছে না কেন?। আপনি কী মনে করছেন ?
প্রশাসনের বিশেষ অভিযান শুরু
:: এফ শাহজাহান ::
হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা দাবিকে সরকার অস্বীকার এবং এটাকে মধ্যযুগীয় দাবি হিসেবে অখ্যায়িত করলেও এখন সেই সব দাবি বাস্তবায়নে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে। সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রীরা হেফাজতে ইসলামের এসব দাবিকে ঠাট্টা মশকরা করে দেশকে ১৪শ বছর পিছিয়ে দেয়ার আশংকা ব্যক্ত করলেও বিষ্ময়করভাবে মাত্র এক মাসের মাথায় হেফাজতের ঐসব দাবি বাস্তবায়নে প্রশাসনের বিশেষ অভিযানে সর্বত্র তোলপাড় শুরু হয়েছে।
হেফাজতের ১৩ দফার মধ্যে সবচেয়ে সমালোচিত ছিল নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশা,অশ্লীলতা বেহায়াপনা বন্ধ করা। হেফাজতের এই দাবিকে সরকারের পক্ষ থেকে মারাত্মকভাবে আক্রমন করা হলেও সর্বপ্রথম সরকার সেই দাবি বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছে। বগুড়া থেকে শুরু হয়েছে হেফাজতের সেই দাবি বাস্তবায়নে প্রশাসনের বিশেষ অভিযান। বগুড়ার প্রশাসন আজ মঙ্গলবার শহরের একটি পার্কে অীভযান চালিয়ে নরী পুরুষের সহাবস্থান,অশ্লীলতা,বেহায়াপনার
মঙ্গলবার বগুড়ায় শিশু বিনোদন কেন্দ্র ওয়ান্ডার ল্যান্ডে অশ্লীলতা এবং অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে প্রায় দুই’শ প্রেমিক যুগলকে আটক করেছে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমান আদালত আটককৃতদের অর্থদন্ড দিয়েছে। এদের অধিকাংশই স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী হওয়ার কারনে আদালত বিশেষ বিবেচনায় কারাদন্ড না দিয়ে শুধু জরিমানা আদায় এবং সতর্ক করেই ছেড়ে দিয়েছে।
দুপুরে বগুড়ার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুল হাসান রুমির নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত পুলিশের সহায়তায় শহরের খান্দার এলাকায় অবস্থিত ওয়ান্ডার ল্যান্ডে অভিযান চালায়। সেখানে আপত্তিকর অবস্থায় প্রেমিক যুগলদের অবস্থান দেখতে পেয়ে তাদের সবাইকে আটক করে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমান আদালত এসব প্রেমিক যুগলের বিভিন্ন অংকের অর্থদন্ড আদায় করে এবং তাদের সতর্ক করে ছেড়ে দেয়।
এবিষয়ে অভিযান পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুল হাসান রুমি জানান,এরকম একটি শিশু বিনোদন কেন্দ্রে অবাধে নারী পুরুষের দৃষ্টিকটু অবস্থান,অশ্লীলতা এবং নানা অসামাজিক কর্মকান্ড কোনমতেই মেনে নেয়া যায়না। এজন্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তবে আটককৃতদের অধিকাংশই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী হওয়ায় বিশেষ বিবেচনায় তাদের কারাদন্ড না দিয়ে শুধু অর্থদন্ড করা হয়েছে।
ওয়ান্ডার ল্যান্ডের ব্যবস্থাপক জানান,এদের বেশিরভাগই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী। এরা অভিভাবকদের চোখ ফাঁকি দিয়ে এখানে এসে নিয়মিত অবস্থান করতো। কর্তৃপক্ষ তাদের বার বার সতর্ক করলেও কোন ফল হয়নি।
এবিষয়ে আটককৃত প্রেমিক যুগলরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, বান্ধবীদের নিয়ে পার্কে ঘুরে বেড়ানো যদি অপরাধ হয় তাহলে হেফাজতে ইসলামের দাবিইতো সঠিক ছিল। সরকার একদিকে হেফাজতের দাবিকে অস্বীকার করবে আবার সেই দাবি বাস্তবায়নে অীভযান চালাবে তা হতে পারে না। সরকার যদি হেফাজতের দাবিই বাস্তবায়ন করবে তাহলে আগে এসব পার্ক বন্ধ করে দিচ্ছে না কেন?। আপনি কী মনে করছেন ?
"হে
আদম সন্তান! তুমি আমার ইবাদতের জন্য অন্তরকে খালি করে নাও। আমি তোমার
হৃদয়কে সচ্ছলতা দ্বারা পূর্ণ করে দেব এবং তোমার অভাব দূর করে দেব। কিন্তু
যদি তুমি সেটা না কর, তাহ’লে আমি তোমার দু’হাতকে (দুনিয়াবী) ব্যস্ততায় ভরে
দেব এবং তোমার অভাব মিটাবো না।"
[হাদীছে কুদসী; আহমাদ, তিরমিযী
হা/২৪৬৬; ইবনু মাজাহ হা/৪১০৭; মিশকাত হা/৫১৭২ ‘হৃদয় গলানো’ অধ্যায়-২৬,
পরিচ্ছেদ-২; আলবানী, সিলসিলা ছহীহাহ হা/১৩৫৯।]
(বাঁশ বাবা- রেচড)
একদিন বাবায় এক্কান N70 মুপাইল কিনা দেয়, সেই আমার জীবনে পর্থম
ইন্টারলেট ইউজ!! তো এক্কান ব্লগে যাইয়া দেখি কুর'আনের ১৮ টা বৈজ্ঞানিক
ভূল(!) নিয়া এক্কান আর্টিক্যাল বাই "ডা. উইলিয়াম ক্যাম্পবেইল"!! দেইখাই
আগামী এক বছর ঐগুলার উত্তর খুঁজার জন্যি বহুত ঘাটাঘাটি কল্লাম! কিছু মোল্লা
সাহেপকেও জিগাইলাম! কিন্তু তেনারা অধিকাংশ অন্ধবিশ্বাস করার জন্যি রেফার
কল্লেন! কিন্তু এইভাবে আমার কৌতুহলী মনটারে শান্ত কত্তে পাল্লাম না, তাও
ঈমান রেখে আরও ঘাটাঘাটি কল্লাম!! আল্লাহর কাছে অনেক সাহায্য চাইলাম, আল্লাহ
আমাকে হিদায়াত কর, সত্যের পথে! অতঃপর একদিন টিভি দ্যাখতে দ্যাকতে "ডা.
জাকির নায়েক" নামক কোন ব্যাক্তিকে লেকচার দিতে দ্যাকলাম! সেখানে খ্রিষ্টান
বিষয়ক কিছু নিয়ে এক বুইড়ার সাথে বিতর্ক দেইখা আগ্রহী হৈয়া দেখা শুরু
কল্লাম!
কিছুক্ষণ দেখার পর বুঝলাম, এই সেই বুইড়া "উইলিয়াম
ক্যাম্পবেইল", একজন খ্রিষ্টান মিশনারী এবং ডাক্তার, যে কিনা আমার দেড় বছর
বরবাদ করছে!! পরে আরও আগ্রহী হৈয়া দেখলাম, বুইড়া খুপ খুশি মনে সেই ১৮ টি
বৈজ্ঞানিক ত্রুটি ব্যাখ্যা কল্লেন!!
ঠিক তারপর আসলেন, "ডা. জাকির নায়েক" নিকটি!! ৫ মিনিট যাইতে না যাইতে তাঁর
উদ্ধৃতি দেয়ার গতি আর স্মৃতিশক্তি দেখিয়া আমি টাশ্কীত!! ঐ বুইড়া নিজের
যেই পয়েন্ট গুলা লিস্ট কৈরা লেইখা আনছে, যেই পয়েন্ট গুলা নিয়া আমার
লাইফটা হেল হৈয়া গেছে, জাকির নায়েক নিকটি শুনিবামাত্র সব পয়েন্ট মুখস্ত
কৈরা, প্রত্যেকটার দাত-ভাঙ্গা জবাব দিলেন!! ইতিমধ্যে আমি আমার সব পয়েন্টের
উত্তর পাইয়া, দেড় বছর পর যেন জানে পানি পাইলাম!! কিন্তু জাকির নায়েক
এরপরও ক্ষ্যামা দেয় নাই!! একটার পর একটা করে ৩৮ টা বাইবেলের বৈজ্ঞানিক ভূল
প্রমাণ কল্লেন, অতঃপর বুইড়া ভূলগুলো স্বীকার কৈরা বল্লেন, "আমি এগুলোর
উত্তর দিতে অক্ষম এখন"!!!
আম্রিকার শিকাগোর সেই অনুষ্ঠানটির পর বুইড়ার
মাথায় হাত দেয়া সেই দৃশ্যখানা দেইখা মুখ থেকে জাকির নায়েকের জন্য
স্বয়ংক্রিয় ভাবে "মাশাল্লাহ" উচ্চারিত হল!! আর সেই অনুষ্ঠানের পর অনেকেই
ইসলাম গ্রহন করেছিল!!
আল্লাহ সর্বমহান যিনি আমার জীবনের সবচেয়ে
কষ্টকর মুহূর্ত থেকে উদ্ধারের জন্য জাকির স্যারের লেকচারটিকে আমার সামনে
এনেছিলেন!! আল্লাহ তাঁকে উত্তম প্রতিদান দিন!
বিঃদ্রঃ সেই
অনুষ্ঠানের পর জাকির স্যারের সমালোচকের অভাব হল না যে, তিনি নাকি ভূল
বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা করেছেন! অথচ উইলিয়াম বুইড়া আম্ব্রিকার ডাক্তার হৈয়াও
হার মাইনা নিলেন!! বাঙ্গালী আসলেই একটা চিজ!!
আবূ মালিক হারিস ইবনে ‘আসেম আশ‘আরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘পবিত্রতা অর্ধেক ঈমান। আর ‘আলহামদু লিল্লাহ’ (কিয়ামতে নেকীর) দাঁড়িপাল্লাকে ভরে দেবে এবং ‘সুবহানাল্লাহ’ ও ‘আলহামদু লিল্লাহ’ আসমান ও যমীনের মধ্যস্থিত শূন্যতা পূর্ণ করে দেয়। নামায হচ্ছে জ্যোতি। সাদকাহ হচ্ছে প্রমাণ। ধৈর্য হল আলো। আর কুরআন তোমার স্বপক্ষে অথবা বিপক্ষে দলীল। প্রত্যেক ব্যক্তি সকাল সকাল সবকর্মে বের হয় এবং তার আত্মার ব্যবসা করে। অতঃপর সে তাকে (শাস্তি থেকে) মুক্ত করে অথবা তাকে (আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত ক’রে) বিনাশ করে।’’ [সহীহুল বুখারী ২২৩, মুসলিম ৩৫১৭, ইবনু মাজাহ ২৮০, আহমাদ ২২৩৯৫, ২২৪০১, দারেমী ৬৫৩]
মালেক
বিন হুয়াইরিস (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘একদা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)
মিম্বরে উঠেন, প্রথম সিঁড়িতে উঠে আমীন বলেন। অতঃপর দ্বিতীয় সিঁড়িতে উঠে
বললেন, আমীন। অতঃপর তৃতীয় সিঁড়িতে উঠে বললেন, আমীন। অতঃপর বললেন, আমার নিকট
জিবরীল (আঃ) এসে বললেন,
হে মুহাম্মাদ (ছাঃ)! যে ব্যক্তি
রামাযান মাসে উপনীত হওয়ার পরও তার জীবনের গোনাহকে ক্ষমা করাতে পারল না,
আল্লাহ তাকে রহমত থেকে দূর করুন। আমি তা শুনে বললাম, আমীন। তারপর বলেন, যে
ব্যক্তি তার পিতা-মাতাকে অথবা তাদের একজনকে পেল, অথচ (তাদের সাথে সদ্ব্যহার
না করে) জাহান্নামে প্রবেশ করল, আল্লাহ তা‘আলা তাকেও তাঁর রহমত থেকে দূর
করুন। আমি বললাম, আমীন।
অতঃপর বললেন, যে ব্যক্তির সামনে আপনার
নাম উচ্চারিত হওয়ার পর আপনার উপর দরূদ পাঠ করল না, সেও আল্লাহ তা‘আলার রহমত
থেকে দূর হোক। আমিও তাতে বললাম, আমীন’।
[ ছহীহ ইবনু হিববান, ২য় খন্ড, পৃঃ ৩০৮, হা/৪১০, ৩য় খন্ড, পৃঃ ৩০৪, হা/৯০৯ ছহীহ আত-তারগীব হা/৯৯৬ ]
মালেক
বিন হুয়াইরিস (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘একদা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)
মিম্বরে উঠেন, প্রথম সিঁড়িতে উঠে আমীন বলেন। অতঃপর দ্বিতীয় সিঁড়িতে উঠে
বললেন, আমীন। অতঃপর তৃতীয় সিঁড়িতে উঠে বললেন, আমীন। অতঃপর বললেন, আমার নিকট
জিবরীল (আঃ) এসে বললেন,
হে মুহাম্মাদ (ছাঃ)! যে ব্যক্তি
রামাযান মাসে উপনীত হওয়ার পরও তার জীবনের গোনাহকে ক্ষমা করাতে পারল না,
আল্লাহ তাকে রহমত থেকে দূর করুন। আমি তা শুনে বললাম, আমীন। তারপর বলেন, যে
ব্যক্তি তার পিতা-মাতাকে অথবা তাদের একজনকে পেল, অথচ (তাদের সাথে সদ্ব্যহার
না করে) জাহান্নামে প্রবেশ করল, আল্লাহ তা‘আলা তাকেও তাঁর রহমত থেকে দূর
করুন। আমি বললাম, আমীন।
অতঃপর বললেন, যে ব্যক্তির সামনে আপনার
নাম উচ্চারিত হওয়ার পর আপনার উপর দরূদ পাঠ করল না, সেও আল্লাহ তা‘আলার রহমত
থেকে দূর হোক। আমিও তাতে বললাম, আমীন’।
[ ছহীহ ইবনু হিববান, ২য় খন্ড, পৃঃ ৩০৮, হা/৪১০, ৩য় খন্ড, পৃঃ ৩০৪, হা/৯০৯ ছহীহ আত-তারগীব হা/৯৯৬ ]
সুন্দরী নারীদের বিলবোর্ড দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ: যোগাযোগমন্ত্রী
ডিজিটাল বিলবোর্ডের কারণে অনেক সময় চালকদের দৃষ্টিভ্রম হয় দাবি করে
যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, “ বিভিন্ন পণ্যের বিলবোর্ডে সুন্দরী
নারীদের ছবি দেয়া হচ্ছে। তারাও (গাড়িচালক) তো মানুষ। রাস্তা দিয়ে চলার
সময় চালকদের সেদিকে নজর যাচ্ছে। ফলে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটে।”
মঙ্গলবার রাজধানীর মহাখালীর বাস টার্মিনালে আয়োজিত এক সেমিনার ও
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) পেশাজীবী গাড়িচালকদের দক্ষতা ও
সচেতনতা বাড়াতে ওই কর্মশালার আয়োজন করে ।
যোগাযোগমন্ত্রী বলেন,
“আজকাল দেখা যায়, অনেকে রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় মোবাইলে কথা বলেন। এ
সময় কোন দিক দিয়ে গাড়ি আসছে সেটা খেয়াল থাকে না। ফলে পথচারীরা
গাড়িচাপা পড়েন।”
তিনি বলেন, “বিত্তবানদের ছোট ছেলেমেয়েরা
রাস্তায় গাড়ি চালায়। ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। ন্যূনতম ২১ বছর বয়সে
গাড়ি চালানোর নিয়ম। কিন্তু আজকাল ১২-১৩ বছরের ছেলেরা সিএনজিচালিত
অটোরিকশা চালাচ্ছে। ফলে যেখানে-সেখানে দুর্ঘটনা ঘটছে।”
সুন্দরী নারীদের বিলবোর্ড দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ: যোগাযোগমন্ত্রী
ডিজিটাল বিলবোর্ডের কারণে অনেক সময় চালকদের দৃষ্টিভ্রম হয় দাবি করে যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, “ বিভিন্ন পণ্যের বিলবোর্ডে সুন্দরী নারীদের ছবি দেয়া হচ্ছে। তারাও (গাড়িচালক) তো মানুষ। রাস্তা দিয়ে চলার সময় চালকদের সেদিকে নজর যাচ্ছে। ফলে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটে।”
মঙ্গলবার রাজধানীর মহাখালীর বাস টার্মিনালে আয়োজিত এক সেমিনার ও প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) পেশাজীবী গাড়িচালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বাড়াতে ওই কর্মশালার আয়োজন করে ।
যোগাযোগমন্ত্রী বলেন, “আজকাল দেখা যায়, অনেকে রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় মোবাইলে কথা বলেন। এ সময় কোন দিক দিয়ে গাড়ি আসছে সেটা খেয়াল থাকে না। ফলে পথচারীরা গাড়িচাপা পড়েন।”
তিনি বলেন, “বিত্তবানদের ছোট ছেলেমেয়েরা রাস্তায় গাড়ি চালায়। ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। ন্যূনতম ২১ বছর বয়সে গাড়ি চালানোর নিয়ম। কিন্তু আজকাল ১২-১৩ বছরের ছেলেরা সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালাচ্ছে। ফলে যেখানে-সেখানে দুর্ঘটনা ঘটছে।”
ডিজিটাল বিলবোর্ডের কারণে অনেক সময় চালকদের দৃষ্টিভ্রম হয় দাবি করে যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, “ বিভিন্ন পণ্যের বিলবোর্ডে সুন্দরী নারীদের ছবি দেয়া হচ্ছে। তারাও (গাড়িচালক) তো মানুষ। রাস্তা দিয়ে চলার সময় চালকদের সেদিকে নজর যাচ্ছে। ফলে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটে।”
মঙ্গলবার রাজধানীর মহাখালীর বাস টার্মিনালে আয়োজিত এক সেমিনার ও প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) পেশাজীবী গাড়িচালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বাড়াতে ওই কর্মশালার আয়োজন করে ।
যোগাযোগমন্ত্রী বলেন, “আজকাল দেখা যায়, অনেকে রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় মোবাইলে কথা বলেন। এ সময় কোন দিক দিয়ে গাড়ি আসছে সেটা খেয়াল থাকে না। ফলে পথচারীরা গাড়িচাপা পড়েন।”
তিনি বলেন, “বিত্তবানদের ছোট ছেলেমেয়েরা রাস্তায় গাড়ি চালায়। ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। ন্যূনতম ২১ বছর বয়সে গাড়ি চালানোর নিয়ম। কিন্তু আজকাল ১২-১৩ বছরের ছেলেরা সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালাচ্ছে। ফলে যেখানে-সেখানে দুর্ঘটনা ঘটছে।”
আবূ
হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি
ওয়াসাল্লাম বলেন: “সাত ব্যক্তিকে আল্লাহ্ তাঁর ছায়াতলে আশ্রয় দেবেন, যেদিন
তাঁর ছায়া ছাড়া আর কোন ছায়াই অবশিষ্ট থাকবে না। (তারা হলো:
১) ন্যায়পরায়ন শাসক,
(২) যে যুবক আল্লাহর ইবাদাতের মধ্যে বড় হয়েছে,
(৩) যে ব্যক্তি মসজিদ থেকে বেরিয়ে গেলেও তার অন্তর এর সাথে সম্পৃক্ত থাকে,
(৪) এমন দু’জন লোক যারা আল্লাহর জন্য পরস্পর ভালবাসা স্থাপন করেছে; এই
সম্পর্কেই একত্র থাকে এবং বিচ্ছিন্ন হয়,
(৫) এমন ব্যক্তি যাকে কোন
অভিজাত পরিবারের সুন্দরী রূপসী নারী (খারাপ কাজে) আহ্বান করেছে কিন্তু সে
তাকে এই বলে প্রত্যাখ্যান করেছে; আমি আল্লাহকে ভয় করি,
(৬) এমন ব্যক্তি যে এত গোপনের দান-সদকা করেছে যে, তার ডান হাত যা দান
করেছে তার বাম হাতও তা জানতে পারেনি যে, ডান হাত কি দান করেছে,
(৭) যে ব্যক্তি নির্জনে আল্লাহকে স্মরণ করেছে এবং তার দু’চোখ বয়ে পানি
পড়েছে।” [বুখারী: ৬৬০, মুসলিম: ১০৩১]
**
শুয়ে শুয়ে সুরা আনফালের বাংলা অনুবাদ শুনতে ছিলাম, যখন ১২ নাম্বার আয়াত টা
সুন্তেচিলাম তখন মনের মধ্যে সাহস এতটা বৃদ্ধি পেল যে, মনে হচ্ছে পুরা
পৃথিবী ও যদি আমার বিরুদ্ধে যায়, তারপরও আমি একা লড়ে যাব আল্লাহর পথে। কারন
আল্লাহ্ আমার জন্য যতেষ্ঠ।
আকাশ পৃথিবীর মালিক যিনি তিনিই
ইমানদারদের কে নির্দেশ দিচ্ছেন কাফের দের কোথায় কোথায় আঘাত করতে হবে। আর
তিনি নিজেই বলেছেন, কাফের দেরকে তিনি আতংকের মধ্যে রেখেছেন। সুতারাং
মুমিনদের বিজয় নিচ্চিত। এখন সর্ত হচ্ছে আমাদের মুমিন হতে হবে।
আল্লাহ্ আমাদের মুমিন হওয়ার তফিক দান করুন। আমীন।
১২) আর সেই সময়, যখন তোমার রব ফেরেশতাদেরকে ইঙ্গিত করেছিলেন, এই বলেঃ আমি
তোমাদের সাথে আছি , তোমরা ঈমানদারদেরকে অবিচল রাখো, আমি এখনই এ
কাফেরদের মনে আতংক সৃষ্টি করে দিচ্ছি৷ কাজেই তোমরা তাদের ঘাড়ে আঘাত করো
এবং প্রতিটি জোড়ে ও গ্রন্থী -সন্ধিতে ঘা মারো৷
সুরা আনফাল
আগুনের কারাগার
খিলাফতে
রাশেদার তৃতীয় খলীফা হযরত উসমান ইবনে আফফান (রা)। তিনি ছিলেন অত্যন্ত
দানশীল একজন সাহাবী। তাঁর দানশীলতার একটি নমুনা আজ আপনাদের সামনে তুলে
ধরছি।
খিলাফতের পূর্বে হযরত উসমানের নিকট সিরিয়া থেকে একটি বাণিজ্য বহর
আসে। এই বহরে গম, জয়তুনের তেল ও মোনাক্কাবাহী এক হাজার উট ছিল। এই সময়ে
দুর্ভিক্ষের দরুন মুসলমানগণ শোচনীয় দুর্দশায় পতিত ছিলেন। বহু ব্যবসায়ী তাঁর
কাছে এসে বলে, "দেশে খাদ্যদ্রব্যের চাহিদা কত তীব্র তা তো আপনি ভাল করেই
জানেন। এই দ্রব্য সম্ভার আমাদের নিকট বিক্রি করে দিন।"
হযরত উসমান (রা) বলেন, "স্বাচ্ছন্দে বিক্রি করতে পারি কিন্তু আমাকে কত মুনাফা দেবে তাই বল।"
ব্যবসায়ীরা বললো, "দ্বিগুণ মুল্য দেব।"
হযরত উসমান (রা) বলেন, "আমাকে তো এর চেয়ে অনেক বেশি মুনাফা দেয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।"
তারা বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞাসা করেন, "আপনার বাণিজ্য বহর এইমাত্র এলো, আর ওটা
পৌঁছামাত্রই আমরা মদীনার সমস্ত ব্যবসায়ী হাজির হয়েছি। অন্য কেউ তো আমাদের
পূর্বে আপনার সাথে সাক্ষাত করেনি। তাহলে কোন ব্যক্তি আপনাকে এত মুনাফা দিতে
চেয়েছে?"
হযরত উসমান (রা) বলেন, "আল্লাহ তায়ালা আমাকে দশগুণ মুনাফা দেয়ার ওয়াদা করেছেন। তোমরা কি আমাকে এর চেয়ে বেশী দিতে পার?"
তারা বললো, "না" ।
তখন হযরত উসমান (রা) আল্লাহকে সাক্ষী করে ঘোষণা করলেন যে, "এই বাণিজ্য
বহরের সমস্ত সম্পদ আল্লাহর উদ্দেশ্যে দরিদ্র ও মিসকীনদের জন্য সদকা করে
দিলাম।"
এইভাবেই রাসূলুল্লাহ (সা) এর সাহাবীরা নিজেদের সম্পদ আল্লাহর পথে দান করে কুরআনের এই উক্তির স্বার্থকতা প্রমাণ করেন :
"তোমরা যতক্ষণ নিজেদের প্রিয় সম্পদকে আল্লাহর পথে ব্যয় না করবে ততক্ষণ প্রকৃত কল্যাণ অর্জনে সক্ষম হবে না।" (সূরা আলে-ইমরান : ৯২)
তালাশের প্রতিবেদন অনুসারে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলের কয়েকজন শিক্ষকের মাসিক আয় :
সুভাষ পোদ্দার (গণিত)-- ১২ লক্ষ টাকা
নিজাম কামাল (ইংরেজি)--১৩ লক্ষ টাকা
সোহেল আহমেদ (সামাজিক বিজ্ঞান)--১০ লক্ষ টাকা
আবদুর রশীদ (বাংলা)-- ৮ লক্ষ টাকা
.
এ ব্যাপারে সাক্ষাৎকারে আবদুর রশীদ বলেন,
"আমার মাসিক বেতন ১৯ হাজার টাকা। আমার বাসা ভাড়া ২০ হাজার টাকা। আমি কি শিক্ষামন্ত্রীর বাসার সামনে কলা বেচব???"
ভার্সিটির হলের খাওয়া দাওয়া তিন আইটেমে সীমাবদ্ধ। মুরগী। মাছ। অথবা মাংস। প্রতিটাই ছোট্ট এক পিস করে।
আম্মাও জানেন। তবু গত চার বছর ধরে প্রতিবেলায় ফোন দিয়ে যে প্রশ্ন দুটো তিনি করবেনই সেগুলো হলো:
‘‘খেয়েছিস? কি দিয়ে খেয়েছিস?’’
জবাব শুনে মা প্রতিবেলায় কষ্ট পান। তবু তার শোনাই লাগবে। আমিও পালটা
প্রশ্ন করি। বাসায় ভালো কিছু রান্না হলে মা বলতে লজ্জা পান। যেনো আমি বাসায়
না থাকা অবস্থায় ভালো আইটেম রান্না করাটা বিরাট অন্যায় !
আবার
অজুহাতও দেন ! আজ মেহমান এসেছিলোতো- তাই এইটা করেছি। আজ দুপুরের রান্নাটা
খেয়ে একেবারে রুচি চলে গেছেতো- তাই এইটা করেছি। ছোটবোনের কাছে শুনেছি যেদিন
আমার প্রিয় কোনো আইটেম রান্না হয় সেদিন ডাইনিং এ বসলেই মার মন খারাপ হয়ে
যায় !
এমনই কোনো একদিন আমার শুধু এক পিস মাছ দিতে ভাত খাওয়ার কথা
শুনে সাথে সাথে মায়ের চোখে পানি এসে গিয়েছিলো। এটাও বোনের কাছে শোনা। অবশ্য
জিজ্ঞেস করলে মা স্বীকার করেন না।
সত্যিই পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন
কাজটা হলো মা হওয়া। এ কাজে কোনো সাপ্তাহিক ছুটি নেই, কোনো বেতন নেই, বোনাস
নেই, পদোন্নতি নেই,প্রোমোশন নেই। তবু কিভাবে যে মায়েরা এই কাজটা সারাজীবন
করে যান বুঝি না! শুধু কাজটা করে মায়ের মুখে তৃপ্তির হাসি দেখে বুঝি-
সবচেয়ে কঠিন এই কাজটাই হলো পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম কাজ।
<<<<<অপবাদ প্রদানকারী>>>>>
যে সব পাপ করলে মানুষ ইহকালে অভিশপ্ত হয় এবং পরকালে ভয়াবহ শাস্তির হ্বকদার
হয় তাঁর অন্যতম পাপ হচ্ছে অপবাদ দেয়া এরূপ ব্যক্তির সাক্ষী গ্রহণ করা
হারাম। সে ফাসিক বলে বিবেচিত হয় এবং সে ৮০টি বেত্রাঘাতের সাজাপ্রাপ্ত হয়।
আল্লাহ তা'আলা বলেন,'যারা সতীসাধ্বী নিরীহ ঈমানদার নারীদের প্রতি অপবাদ
আরোপ করে, তারা ইহকালে ও পরকালে অভিশপ্ত । তাদের জন্য রয়েছে গুরুতর শাস্তি।
( সূরা নূর-২৩ )।
শয়তানের সেই ভাষণটি------
শয়তানের সেই ভাষণটি------
হাশরের মাঠে মানুষের মাঝে যখন ফয়সালা শেষ হওয়ার পর মুমিনগণ জান্নাতে চলে
যাবেন এবং কাফেরেরা জাহান্নামে নিপতিত হবে। শয়তান তখন নিজেকে সম্পূর্ণ
দোষমুক্ত ঘোষণা করে একটি ভাষণ প্রদান করবে। আল্লাহ তাআ’লা কুরআনে শয়তানের
সেই ভাষণটি তুলে ধরেছেন।
আল্লাহ বলেনঃ
“কিয়ামত দিবসে যখন ফয়সালা
হয়ে যাবে তখন শয়তান বলবেঃ নিশ্চয় আল্লাহ্ তোমাদেরকে সত্য ওয়াদা
দিয়েছিলেন। আমিও ওয়াদা দিয়েছিলাম। কিন্তু আমার ওয়াদা ছিল মিথ্যা এবং
আমি সেই ওয়াদা ভঙ্গ করেছি। তোমাদের উপর আমার কোন কর্তৃত্ব ছিলনা।
শুধুমাত্র আমি তোমাদেরকে ডেকেছিলাম। আর তোমরা আমার ডাকে সাড়া দিয়েছিলে।
অতএব আজ তোমরা আমাকে দোষারোপ করোনা। নিজেদেরকে দোষারোপ কর। আমি তোমাদেরকে
শাস্তি থেকে বাঁচাতে পারবনা। তোমরাও আমাকে বাঁচাতে পারবেনা। তোমরা
ইতিপূর্বে আমাকে আল্লাহর সাথে শরীক স্থাপন করেছিলে। আমি তা অস্বীকার করছি।
নিশ্চয়ই জালেমদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রনাদায়ক কঠিন শাস্তি।”
(সূরা ইবরাহীমঃ ২২)
আয়েশা
(রা:) থেকে বর্ণিত। রাসুল (সা:) প্রতি রাতে শোয়ার সময় তালুদ্বয় এক করে
তাতে ‘ক্বুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’ (সূরা আল-ইখলাস) এবং ‘ক্বুল ‘আউযুবি রব্বিল
ফালাক্ব’ (সূরা আল-ফালাক) এবং ‘ক্বুল আ’উযু বিরব্বিন্ নাস’ (সূরা আন-নাস)
পড়ে ফুঁ দিতেন। তারপর হাতদ্বয় দ্বারা শরীরের যতদূর পর্যন্ত বুলানো সম্ভব
হত, ততদূর পর্যন্ত বুলিয়ে নিতেন। মাথা, চেহারা ও শরীরের সামনের দিক থেকে
আরম্ভ করতেন। এভাবে তিনি তিন বার করতেন।
-(বুখারী: ৫০১৭)
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত,
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
“সাত ব্যক্তিকে আল্লাহ্ তাঁর
ছায়াতলে আশ্রয় দেবেন, যেদিন তাঁর
ছায়া ছাড়া আর কোন ছায়াই অবশিষ্ট
থাকবে না। (তারা হলো: ১) ন্যায়পরায়ন
শাসক, (২) যে যুবক আল্লাহর ইবাদাতের
মধ্যে বড় হয়েছে, (৩) যে ব্যক্তি মসজিদ
থেকে বেরিয়ে গেলেও তার অন্তর এর
সাথে সম্পৃক্ত থাকে, (৪) এমন দু’জন লোক
যারা আল্লাহর জন্য পরস্পর ভালবাসা স্থাপন
করেছে; এই সম্পর্কেই একত্র
থাকে এবং বিচ্ছিন্ন হয়, (৫) এমন
ব্যক্তি যাকে কোন অভিজাত পরিবারের
সুন্দরী রূপসী নারী (খারাপ কাজে) আহ্বান
করেছে কিন্তু সে তাকে এই বলে প্রত্যাখ্যান
করেছে; আমি আল্লাহকে ভয় করি, (৬) এমন
ব্যক্তি যে এত গোপনের দান-সদকা করেছে যে,
তার ডান হাত যা দান করেছে তার বাম হাতও
তা জানতে পারেনি যে, ডান হাত কি দান
করেছে, (৭)
যে ব্যক্তি নির্জনে আল্লাহকে স্মরণ
করেছে এবং তার দু’চোখ
বয়ে পানি পড়েছে।” [বুখারী: ৬৬০, মুসলিম:
১০৩১]
Subscribe to:
Posts (Atom)