skip to main |
skip to sidebar
ভার্সিটির হলের খাওয়া দাওয়া তিন আইটেমে সীমাবদ্ধ। মুরগী। মাছ। অথবা মাংস। প্রতিটাই ছোট্ট এক পিস করে।
আম্মাও জানেন। তবু গত চার বছর ধরে প্রতিবেলায় ফোন দিয়ে যে প্রশ্ন দুটো তিনি করবেনই সেগুলো হলো:
‘‘খেয়েছিস? কি দিয়ে খেয়েছিস?’’
জবাব শুনে মা প্রতিবেলায় কষ্ট পান। তবু তার শোনাই লাগবে। আমিও পালটা
প্রশ্ন করি। বাসায় ভালো কিছু রান্না হলে মা বলতে লজ্জা পান। যেনো আমি বাসায়
না থাকা অবস্থায় ভালো আইটেম রান্না করাটা বিরাট অন্যায় !
আবার
অজুহাতও দেন ! আজ মেহমান এসেছিলোতো- তাই এইটা করেছি। আজ দুপুরের রান্নাটা
খেয়ে একেবারে রুচি চলে গেছেতো- তাই এইটা করেছি। ছোটবোনের কাছে শুনেছি যেদিন
আমার প্রিয় কোনো আইটেম রান্না হয় সেদিন ডাইনিং এ বসলেই মার মন খারাপ হয়ে
যায় !
এমনই কোনো একদিন আমার শুধু এক পিস মাছ দিতে ভাত খাওয়ার কথা
শুনে সাথে সাথে মায়ের চোখে পানি এসে গিয়েছিলো। এটাও বোনের কাছে শোনা। অবশ্য
জিজ্ঞেস করলে মা স্বীকার করেন না।
সত্যিই পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন
কাজটা হলো মা হওয়া। এ কাজে কোনো সাপ্তাহিক ছুটি নেই, কোনো বেতন নেই, বোনাস
নেই, পদোন্নতি নেই,প্রোমোশন নেই। তবু কিভাবে যে মায়েরা এই কাজটা সারাজীবন
করে যান বুঝি না! শুধু কাজটা করে মায়ের মুখে তৃপ্তির হাসি দেখে বুঝি-
সবচেয়ে কঠিন এই কাজটাই হলো পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম কাজ।
0 comments:
Post a Comment