Pages

Thursday, January 9, 2014

ঈদে মিলাদুন্নবী নাউযুবিল্লাহ




""(বিদআতীদের ডায়লগ সকল ঈদের সেরা ঈদ
ঈদে মিলাদুন্নবী নাউযুবিল্লাহ । এরকম
কথা মাযার পূজারী কবর পূজারী ভন্ড
বিদআতীরাই বলে । এই জাহেলরা এতটাই
জগন্য যে তারা মানুষের ঈমান আমলের
বারোটা বাজিয়ে ছাড়ছে । এদের মধ্যে এরকমও
আছে যে যারা রসূল সা. কে হাজির নাজির
বলে থাকে । আর যে এই আকিদা রাখবে, সেই
শিরকের গোনাহে লিপ্ত কারন হাজির
নাজিরতো একমাত্র আল্লাহ তাআলা ।

যাক মূল প্রসঙ্গে আসি,
ঈদে মিলাদুন্নবী নামে কোন ঈদ শরিয়তে নাই;
ঈদতো দুইটা যা আমরা সবাই জানি ।
হযরত মুহাম্মদ ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন- “তোমরা স্বীয়
ঘরকে কবর বানিয়োনা। (অর্থাৎ কবরের ন্যায়
ইবাদত-নামায, তেলাওয়াত ও যিকির
ইত্যাদি বিহীন করনা।) এবং আমার
কবরে উৎসব করোনা।(অর্থাৎ বার্ষিক, মাসিক
বা সাপ্তাহিক কোন আসরের আয়োজন করনা।
তবে হ্যাঁ আমার উপর দুরূদ পাঠ কর। নিশ্চয়
তোমরা যেখানেই থাক না কেন তোমাদের দরূদ
আমার নিকট পৌঁছে থাকে।(আল্লাহ তায়ালার
ফেরেশতারা পৌঁছিয়ে দেন।)” (সুনানে আবু দাউদ:
হাদিস নং-২০৪৪/৪০)
এখানে লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে- রাসূলে সাঃ নিজ
রওযা মুবারকে উৎসব (উরস) পালন করতে বারণ
করেছেন । হাদিসের বিখ্যাত ব্যাখ্যাকার
আল্লামা মুনাভী রহঃ এই হাদিসের
ব্যাক্ষা করতে গিয়ে বলেন- জন্মবার্ষিকী-
মৃত্যুবার্ষিকী সবগুলিই শরীয়ত পরিপন্থী ও
গর্হিত কাজ। এ সব কাজ প্রশাসনের
প্রতিরোধ করা জরুরী। (আউনুল মা’বুদ-৬/২৩)

জন্মবার্ষিকী পালন করা ইসলামে নিষেধ
তা আমরা হাদীস থেকে পাই
তাহলে কীভাবে আমরা নবীজী সা. এর মিলাদ
পালন করি!!!! ঈদে মিলাদুন্নবীর
পক্ষে তারা যেসকল দলীল প্রদান করে তার
সবগুলোই জাল ও বানোয়াট । কোন সাহাবী,
তাবেয়ী তাবে তাবেয়ী এই জগন্য বিদআত পালন
করেন নাই । তাই আমরাও এই বিদআত ও
বিধর্মী রীতিনীতি পালন করব না ।

0 comments:

Post a Comment