Pages

Thursday, January 9, 2014

ট্রান্সকম গ্রুপের এবিসি রেডিও এবং প্রথম আলোর ইসলাম বিদ্বেসী প্রচারনা চলছেই. . .

ABC Radio এর ঘৃন্য মিথ্যা কাহিনী বানিয়ে ইসলামের বিরুদ্ধে চরম কুত্সা রটানো (প্রমাণ সহ) :

এবিসি রেডিওর পরিচয় দেয়াটাই শুরুতে জরুরি মনে করছি।

এবিসি রেডিও হচ্ছে Transcom Group এর।

প্রথম আলো , ডেইলি স্টার এই পত্রিকা গুলোও হচ্ছে এই Transcom Group এর।এরা সব একই জিনিস।

প্রথম আলো যে রাসূলুল্লাহ (সঃ) এর ব্যাঙ্গ করে কার্টুন প্রকাশ করেছিল তার ঘটনা অনেকেই জানেন হয়ত তারপরও লিখছি।

প্রথম আলোতে একটি অতি বাজে কার্টুনে একজন দাড়ি টুপিওয়ালা লোক একটি ছেলেকে বলছে, সব নামের আগেই মোহাম্মদ বসাতে হয়।

তারপর ছেলেটির কোলে একটি বিড়াল দেখিয়ে লোকটি জিজ্ঞেস করছে তার কোলে ওঠা কী?

জবাবে ছেলেটি তার দেওয়া শিক্ষা অনুযায়ী বলছে ,

"মোহাম্মদ বিড়াল "

শুধু এই না প্রথম আলো পত্রিকায় "ফতোয়াবাজি অব্যাহত, পুলিশকে সংবেদনশীল হতে হবে "

শিরোনামে প্রকাশিত সম্পাদকীয়তে বিবাহিত নারীর সঙ্গে পরপুরুষের মেলামেশাকে সহজভাবে মেনে না নেয়ার মানসিকতাকে কুসংস্কার বলা হয়েছে।

প্রথম আলো ও এবিসি রেডিও হচ্ছে একই প্রতিষ্ঠান।

এবিসি রেডিওর চিফ অপারেটিং অফিসার এম. সানাউল্লাহ হচ্ছে প্রথম আলোর সাবেক নিউজ এডিটর।প্রথম আলো ও এবিসি রেডিওর মালিক যে একই লোক তা তো শুরুতেই বলেছি।

এবিসি রেডিও এবার তার আসল রুপ প্রকাশ করে দিয়েছে।

গতকালকে হ্যালো ৮৯২০ তে আমান নামের একজন এসেছিল।

তার কথা গুলো খুব সংক্ষেপে লিখলাম।

আমানের বাবা মা চেয়েছিল আমানকে হাফেয বানাতে তাই তাকে একটা মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়ে দেয়।

সেখানে আমান যে রুমে থাকত তার রুম মেট ছিল একজন সমকামী।

তো একদিন আমানের সাথে খারাপ আচরন করলে আমান তাকে লাঠি দিয়ে বারি মারে।

কিন্তু তার ফলে মাদ্রাসার হুজুর আমানকে ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে ফ্যানের সুইচ অন করে পিটায়।

আমান ঐ মাদ্রাসা থেকে পরে চলে যায়।

আমি খুব সংক্ষেপে বলছি , আমানকে রাস্তার টোকাইও হতে হয়।

আমান একসময় ঢাকার যাত্রাবাড়ির একটা মাদ্রাসায় ভর্তি হয়।সেখানে নাকি পত্রিকা পড়া নিষিদ্ধ ছিল।

কিন্তু আমান লুকিয়ে পত্রিকা পড়লে আমানকে মাদ্রাসা থেকে বেড় করে দেয় হুজুররা।

আমান পীর জঙ্গি নামক মাদ্রাসার কথাও বলেছিল তার কথায়।

তখন আর. জে. কিবরিয়া একটু অন্য রকম ভঙ্গিতে জিজ্ঞাসা করছিল

পীর জঙ্গি ?

জঙ্গি ?

এবিসি রেডিও আগেও মাদ্রাসা নিয়ে এরকম ঘটনা প্রচার করেছে।

হুজুরদের ভয়ংকর দৈত্য রুপে মনে হয় এগুলো শুনলে।

আমানের ঘটনা যে মিথ্যা শুধু পত্রিকা পড়ার জন্য কাউকে মাদ্রাসা থেকে বের করে দেয়া হতে পারেনা তা যে কারো বোঝার কথা।

আমানের পরিচিত একজন কিবরিয়ার পেইজে কমেন্ট করেছে

" Tarek Dinar

এরকম অবাস্তব মিথ্যা ঘটনার দারা মানুষ ভাল কিছুই শিখতে পারবেনা সুধু শিখবে মিথ্যা বানোয়াটি ভাওতাবাজি,

কারণ আমি আমান কে ভাল ভাবেই চিনি ও কখনো টোকাই ছিলনা এবং অনাহারে থাকতনা ওর সাথে ওর একটা ছোট ভাই থাকত তার পিছনে কোন টাকা পয়সা আমান খরচ করতনা সব টাকা পয়সা সাদ্দামের পিছনে খরচ করত এমনকি মাঝে মাঝে সাদ্দাম দের বাসায়ও যেত এক সময় আমান সাদ্দামের বোনের সাথেও প্রেম করার চেষ্টা করে তার পর থেকে সাদ্দাম আমান কে আর বাসায় নেয়না সাদ্দাম কে বিরক্ত করার কারণে এক দিন সাদ্দাম আমান কে আমার সামনেই জুতা দিয়ে পিটায় তার পরও সে তার পথ ছারেনী বে উপায় দেখে সাদ্দাম এক হুজুরের পরার্মশ ক্রমে মাদরাসা পরির্বতন করে ফেলে। ... "

এবিসি রেডিওতে আরেকবার এক সন্ত্রাসী এসেছিল ঘটনা বলতে।

সেখানে সে বলেছিল আফগানিস্তান থেকে নাকি জঙ্গিরা এসে তাদের বোমা বানানো সেখাত।

এবিসি রেডিওর আরেকটা প্রোগ্রাম কুয়াশাতে একটা ঘটনা প্রচার করেছিল দেশ বিভাগের সময়কার মানে ১৯৪৭ এর।সেখানেও সুকৌশলে ইসলামকে জড়ানো হয়েছে।

ঘটনাটা এরকম যে

কোন এক হিন্দু জমিদারের মেয়ের উপর এলাকার কিছু মুসলিমদের কুদৃষ্টি পরে এবং এক রাতে বাসায় হামলা করে জমিদারকে হত্যা করে ও তার মেয়েকে ধর্ষন করে ঐ মুসলিমগুলো।

কুয়াশা নিয়ে বেশী কিছু বলব না কারন প্রচার করার আগে তারা স্বীকার করে যে এগুলো লেখা গল্প স্ক্রিপ্টিং করা।

কিন্তু আর.জে. কিবরিয়ার অনুষ্ঠান গুলো হাতে গোনা কয়েকটা বাদে বাকি সব গুলো তাদের বানানো ও আগে থেকেই রেকর্ড করা।

আমার কাছে এর প্রমাণ আছে।

কিন্তু তারা সত্যের মত করে চালিয়ে মানুষকে ধোকা দিয়ে যাচ্ছে।

খুব সুকৌশলে ওরা ইসলামকে টার্গেট করছে।

প্রথম আলো রাসূলুল্লাহ (সঃ) ব্যঙ্গ করে কার্টুন প্রকাশ করেছে আর তাদেরই প্রতিষ্ঠান এবিসি রেডিও সুকৌশলে ইসলামের বিরুদ্ধে অপ প্রচার চালাচ্ছে।

সুন্দর সুন্দর লাভ স্টোরি ও খুব ইমোশোনাল গল্প বানিয়ে তারা সত্যের মত প্রচার করে প্রোগ্রাম জনপ্রিয় করেছে।

ঠিক প্রথম আলোরই মতই এখন তাদের আসল রুপ প্রকাশ করে ফেলছে।

গতকালকে বানোয়াট গল্প প্রচার করে কিবরিয়া পেইজে অনেক গালি খেয়েছে।

তাই এরপর হয়ত আবার কয়দিন মিস্টি মিস্টি গল্প প্রচার শুরু করবে।

পরে আবার আসল উদ্দেশ্য সফলে কাজ শুরু করবে।

সবার কাছে অনুরোধ ওগুলো শোনা বন্ধ করুন।তাদের বানানো গল্পে শেখার কিছু নেই বরং আরও বিভ্রান্তিতে পড়তে পারেন।

কত জন শুনছে তা কিন্তু ওরা বুঝতে পারে তাই কি হচ্ছে তা দেখার জন্য টিউন করলেও সেটা হবে তাদের সহযোগিতা করা , তারা তাদের কার্যক্রম চালিয়েই যাবে।

সবাই শোনা বন্ধ করলেই ঐ নাটক বন্ধ হবে।

. . . .

0 comments:

Post a Comment